Posts

আমার মায়াপুর ও নবদ্বীপ ভ্রমণ | My trip to Mayapur and Navadwip

Image
আমার মায়াপুর ও নবদ্বীপ ভ্রমণ | My trip to Mayapur and Navadwip বেড়িয়ে এলাম মায়াপুর ও নবদ্বীপ। আমি একদিন সন্ধ্যাবেলা পড়তে গিয়েছিলাম অঙ্কর মাষ্টার মশাইয়ের কাছে।মাষ্টারমশাই বললেন, “আজ অঙ্ক করাব না। কারণ আজ বেড়াতে কোথায় যাব তার মিটিং হবে।' সবাই অনেক জায়গার নাম বলল। কিন্তু আমি বললাম, 'স্যার, মায়াপুর ও নবদ্বীপ যাওয়া হােক।' মাষ্টারমশাই বললেন, ‘অভিষেক ঠিক বলেছে।' ঠিক হল ২৫শে এপ্রিল যাওয়া হবে। আমি পড়ে এসে মাকে ও বাবাকে বললাম। মা ও বাবার মনে খুব আনন্দ হল। মায়ের খুব ইচ্ছা মায়াপুর যাবে। রােজ মা বলে, আমি শুনতাম। সেই শুনে আমি মাষ্টারমশাইকে বলেছিলাম। বেরিয়ে পড়লাম সােমবার ভাের পাঁচটা নাগাদ। আমরা বাসে করে সবাইয়ের মা ও বাবা মিলে গিয়েছিলাম। বাস ছাড়ল উদয়ন সিনেমার কাছ থেকে। সবাইয়ের মনে খুব আনন্দ। বাস যাচ্ছে। যেতে যেতে সুন্দর সুন্দর দৃশ্য দেখতে দেখতে চলে এলাম মায়াপুর। তখন বেলা ১টা বাজে। নেমে পড়লাম বাস থেকে। কী সুন্দর মন্দির! দেখে আমার খুব ভালাে লাগল। প্রথমে মায়াপুরের ইসকনের মন্দির দেখলাম। ফটো তুললাম। কী সুন্দর দৃশ্য। মায়াপুর মন্দিরে খাওয়ার ব্যবস্থা ছিল। সবাই মিলে ...

সমুদ্র দেখে এলাম | I saw the sea

Image
সমুদ্র দেখে এলাম | I saw the sea স্কুলে গরমের ছুটি পড়েছে। দিদিরও মাধ্যমিক পরীক্ষা শেষ হয়ে গেছে। তাই কেবলই মনে হচ্ছিল কোথাও একটু ঘুরে আসি। হঠাৎ মামার টেলিফোন এল দীঘা বেড়াতে যাবে এবং দিদিকে ও আমাকে নিয়ে যাবে। খবরটা শুনে আমি আনন্দে লাফিয়ে উঠলাম। এর আগে আমি কোনােদিন দুরে কোথাও বেড়াতে যাইনি, তাই একটু ভয়ও করছিল। কিন্তু তার চেয়ে আনন্দটাই বেশি হচ্ছিল। যাই হােক, বেড়াতে যাওয়ার দিন এসে গেল। দিনটা ছিল শনিবার। সকাল সকাল চান খাওয়া সেরে নিলাম। ১১টা ৪৫ মিনিটে শেওড়াফুলিতে ট্রেন। মা আমাদের ট্রেনে তুলে দিতে এল। মামা, মামিমণি, মামাতাে বােন রিঙ্কি, আমি ও দিদি ট্রেনে চাপলাম। পৌনে ১টা নাগাদ আমরা হাওড়াতে পৌঁছলাম, তারপর ২টার সময়ে দীঘা যাবার বাসে চড়লাম, পৌঁছলাম পৌঁনে ছটা। প্রথমে পৌঁছেই মামা একটি হােটেল ঠিক করল, নাম 'সূর্যোমান'। হােটেলে পৌঁছে আমরা জামাকাপড় ছেড়ে পরিষ্কার হয়ে নিলাম। তারপর জলখাবার খেয়ে সমুদ্র দেখতে গেলাম। সমুদ্রের ধারে গিয়ে অবাক চোখে তাকিয়ে থাকলাম। এত বিশাল জলরাশি এর আগে কখনও দেখিনি। চাঁদের আলাে পড়ে আরাে সুন্দর লাগছিল। আমরা অনেকক্ষণ সমুদ্রের তীরে বসে রইলাম। দশটা বেজে গ...